Shankar Dutta

নারী স্বাস্থ্যকে কেন্দ্র করে বিশেষজ্ঞদের একসাথে করে অনুষ্ঠিত হল গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল সিম্পোজিয়ামস্মৃতি বিশ্বাসবুধবার কলকাতার প্রিন্সটন ক্লাবে অনুষ্ঠিত হল এক গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল সিম্পোজিয়াম, যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল নারী স্বাস্থ্য। নানা ক্ষেত্রের খ্যাতনামা চিকিৎসকেরা—অর্থোপেডিক্স, অনকোলজি, গাইনোকোলজি, ও চর্মরোগ—এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে তাদের মূল্যবান অভিমত ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।

লেখা ও ছবি : স্মৃতি বিশ্বাস এই অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও কিউরেশন করেছে দৈনিক বিশ্বামিত্রের কর্ণধার, কর্ণধারলঞ্চারজ পাবলিক রিলেশনস এবং ইভেন্ট , জগন্নাথ গুপ্ত ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতাল ছিল অফিসিয়াল হেলথ পার্টনার।অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মধ্যে ছিলেন, ব্রিগেডিয়ার (ডাঃ) বরুণ দত্ত, অর্থোপেডিক পরামর্শদাতা, আর এন টেগোর হাসপাতাল প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে নারী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ […]

নারী স্বাস্থ্যকে কেন্দ্র করে বিশেষজ্ঞদের একসাথে করে অনুষ্ঠিত হল গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল সিম্পোজিয়ামস্মৃতি বিশ্বাসবুধবার কলকাতার প্রিন্সটন ক্লাবে অনুষ্ঠিত হল এক গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল সিম্পোজিয়াম, যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল নারী স্বাস্থ্য। নানা ক্ষেত্রের খ্যাতনামা চিকিৎসকেরা—অর্থোপেডিক্স, অনকোলজি, গাইনোকোলজি, ও চর্মরোগ—এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে তাদের মূল্যবান অভিমত ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। Read More »

A WEBINWR WITH CENTRAL MINISTER PIYUSH GOYAL, ARRANGED BY MCCA WEBINWR WITH CENTRAL MINISTER PIYUSH GOYAL, ARRANGED BY MCC

A WEBINWR WITH CENTRAL MINISTER PIYUSH GOYAL, ARRANGED BY MCC REPORTS BY : S.ROY (MCC) Merchants’ Chamber of Commerce & Industry organised a webinar with Shri Piyush Goyal, Hon’ble Minister of Commerce & Industry, GoI on “India’s March Towards a $5 Trillion Economy: Navigating Global Challenges” on 24 June 2025. While highlighting India’s growth story,

A WEBINWR WITH CENTRAL MINISTER PIYUSH GOYAL, ARRANGED BY MCCA WEBINWR WITH CENTRAL MINISTER PIYUSH GOYAL, ARRANGED BY MCC Read More »

রিলেশনশিপ এর জন্য পাগল না হয়ে নিজেকে গোছান

আজকাল বেশিরভাগ বর্তমান জেনারেশনের একটা সমস্যা আছে। আর সেটা হলো, এরা সবাই রিলেশনশিপের জন্য পাগল। এরা বলে তাদের নাকি সত্যিকারের প্রেম হয়ে গেছে! তাহলে আমি আপনাকে বলতে চাই, এই পৃথিবীতে প্রেম ভালোবাসা বলে কিছু হয় না। আর যদি সেটা হয়ও, তবে তার সংখ্যাটা খুবই কম। তাই আজকাল যা কিছু হচ্ছে, এটা কেবলমাত্র “এট্রাকশন”। “এট্রাকশন” ন্যাচারাল

রিলেশনশিপ এর জন্য পাগল না হয়ে নিজেকে গোছান Read More »

ইস যদি ক্যামেরাটা থাকত

লিখেছেন বিশিষ্ট সংবাদিক অরূপ কালী বছর, দিন এখন আর সঠিক মনে নেই। প্রায় ২০ বছর আগের ঘটনা। ঘটনাস্থল ইন্দিরা ভবন।সেই সময় আমার সাপ্তাহিক ছুটি থাকত শনিবার। প্রায় শনিবার আমি ইন্দিরা ভবনে যেতাম। ওখানেই থাকতেন জ্যোতি বসু। ওনার সঙ্গে দেখা করতে নয়, আড্ডা মারতে যেতাম জয় দার সঙ্গে। জয়কৃষ্ণ ঘোষ হিসেবে একডাকে সবাই যাকে চিনত।আদতে আড্ডা

ইস যদি ক্যামেরাটা থাকত Read More »

এই মহিলাকে নিয়ে খুব একটা কিছু বলতে শুনি না কাউকে!অথচ তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে আজও বছরে প্রায় আধাকোটির উপর শিশু একপ্রকার বিনাচিকিৎসায় মারা যায় সেখানে ওঁর প্রাপ্য ছিল সুপার সেলিব্রিটির সম্মান!কিন্তু দেশটার নাম ভারত। এখানে ক্রিকেটার, অভিনেতা, রাজনীতিক যতটা সেলিব্রিটি ততটা আর কেউ নয়।তাই রাস্তাঘাটে এলোপাথাড়ি জিজ্ঞাসা করে দেখুন! পলক মুচ্ছল’কে কেউ চেনেই না প্রায়। দুয়েকজন বলবে, গান-টান গায়।অথচ মাত্র ৩২ বছর বয়সে পলক যা যা করেছেন তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে!

পলক মুছল,এক ব্যতিক্রমী গায়িকা পলক মুচ্ছল গান করেন। মাত্র চারবছর বয়সে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ কল্যাণজী-আনন্দজী লিটল স্টার গ্রুপের হাত ধরে। মাত্র নয়বছর বয়সে প্রথম অ্যালবাম! চোদ্দবছর বয়সে ছোট্ট শহর ইন্দোর থেকে বলিউডে আগমন। ততদিনে তিনটে অ্যালবাম বেরিয়ে গেছে হইহই করে। বলিউডে পা দিয়েই টি-সিরিজের হাত ধরে চতুর্থ অ্যালবাম। আর ঐ একই বছরে প্রথম প্লেব্যাক বলিউড

এই মহিলাকে নিয়ে খুব একটা কিছু বলতে শুনি না কাউকে!অথচ তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে আজও বছরে প্রায় আধাকোটির উপর শিশু একপ্রকার বিনাচিকিৎসায় মারা যায় সেখানে ওঁর প্রাপ্য ছিল সুপার সেলিব্রিটির সম্মান!কিন্তু দেশটার নাম ভারত। এখানে ক্রিকেটার, অভিনেতা, রাজনীতিক যতটা সেলিব্রিটি ততটা আর কেউ নয়।তাই রাস্তাঘাটে এলোপাথাড়ি জিজ্ঞাসা করে দেখুন! পলক মুচ্ছল’কে কেউ চেনেই না প্রায়। দুয়েকজন বলবে, গান-টান গায়।অথচ মাত্র ৩২ বছর বয়সে পলক যা যা করেছেন তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে! Read More »

সংগীত দিবস উপলক্ষে ড্যাফোডিলস-এর উদ্যোগে এবং গীতাঞ্জলির সহযোগিতায় মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান

মৃত্যুঞ্জয় রায়,কলকাতা ২১শে জুন ২০২৫ শনিবার হাওড়ার শরৎ সদনে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্ব সঙ্গীত দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ সঙ্গীতসন্ধ্যা। ড্যাফোডিলস-এর উদ্যোগে ও গীতাঞ্জলির সহযোগিতায় আয়োজিত এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুরসম্রাজ্ঞী আরতী মুখার্জী ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রাজস্ব দপ্তরের যুগ্ম কমিশনার ও বিশিষ্ট ফটো আর্টিস্ট অনুপম হালদার। তিনি বিশিষ্ট গায়ক

সংগীত দিবস উপলক্ষে ড্যাফোডিলস-এর উদ্যোগে এবং গীতাঞ্জলির সহযোগিতায় মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান Read More »

প্রস্তুতি চলছে বজবজ কালীবাড়ির রথযাত্রার

লেখা ও ছবি : অরুণ লোধ দক্ষিণ 24 পরগনার বজ বজ পৌরসভার অন্তর্গত এখানকার সব থেকে প্রাচীনতম। সর্বসাধারণের বজ বজ চিত্রিগঞ্জ শ্রীশ্রী ওম কালিবাড়ি আয়োজিত জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা বঙ্গাব্দে ১৩ সন সন ইংরেজিতে ১৮৯৩ সাল হিসেব করে এই কালিবাড়ি আজ অতিক্রম করেছে ১৩২ বছর এই এই রথযাত্রা ১০০ বছর অতিক্রম করল এই অঞ্চলে বজবজ হালদার

প্রস্তুতি চলছে বজবজ কালীবাড়ির রথযাত্রার Read More »

নিজস্ব প্রতিনিধি ;  সম্প্রতি সন্ধ্যা প্রকাশন এর আয়োজনে শিলিগুড়ির শ্রমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হলো বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। কবি আলক চক্রবর্তীর লেখা “শক্তি শুয়ে আছো ” কাব্যগ্রন্থের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র তথা প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব,ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার,বিশিষ্ট গবেষক ও প্রাবন্ধিক আনন্দ গোপাল ঘোষ,প্রাবন্ধিক অশেষ দাস সহ উত্তরবঙ্গের শতাধিক বিশিষ্ট মানুষ,কবি শিল্পী ও সাহিত্যিক। স্বাগত ভাষণ দেন সন্ধ্যা প্রকাশন এর কর্ণধার শংকর দত্ত। বই উদ্বোধনের পর মঞ্চে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্বরা তাঁদের বক্তব্য রাখেন প্রায় সকলেই। এই ভাবে রীতি মতো প্যান্ডেল বেঁধে বই প্রকাশ এর ঘটনায় মুগ্ধ সকলেই। বইয়ের মলাট ,ছাপা ও সৌদর্য নিয়ে সকলেই সন্ধ্যা প্রকাশনের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

নিজস্ব

নিজস্ব প্রতিনিধি ;  সম্প্রতি সন্ধ্যা প্রকাশন এর আয়োজনে শিলিগুড়ির শ্রমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হলো বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। কবি আলক চক্রবর্তীর লেখা “শক্তি শুয়ে আছো ” কাব্যগ্রন্থের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র তথা প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব,ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার,বিশিষ্ট গবেষক ও প্রাবন্ধিক আনন্দ গোপাল ঘোষ,প্রাবন্ধিক অশেষ দাস সহ উত্তরবঙ্গের শতাধিক বিশিষ্ট মানুষ,কবি শিল্পী ও সাহিত্যিক। স্বাগত ভাষণ দেন সন্ধ্যা প্রকাশন এর কর্ণধার শংকর দত্ত। বই উদ্বোধনের পর মঞ্চে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্বরা তাঁদের বক্তব্য রাখেন প্রায় সকলেই। এই ভাবে রীতি মতো প্যান্ডেল বেঁধে বই প্রকাশ এর ঘটনায় মুগ্ধ সকলেই। বইয়ের মলাট ,ছাপা ও সৌদর্য নিয়ে সকলেই সন্ধ্যা প্রকাশনের ভুয়সী প্রশংসা করেন। Read More »

৫৪তম কলকাতা রথযাত্রা : বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনায় মগ্ন হবে কলকাতা

স্মৃতি বিশ্বাস যুদ্ধবিমান সুখোই-৩০-এর চাকা নিয়ে এগিয়ে চলবে জগন্নাথের রথ, দেওয়া হবে শান্তির বার্তা।বিশ্ব আজ উত্তেজনায় ভরা, তৃতীয়  বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা যেন মাথার ওপর ভাসছে। এমন সময়ে কলকাতা এক অনন্য বার্তা নিয়ে প্রস্তুত — ‘শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক’। ইসকন কলকাতা-র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহাসিক ৫৪তম বার্ষিক রথযাত্রা, যা শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ঐক্যের এক ঐকান্তিক আবাহন।
গত বছরই কলকাতার রাস্তায় জগন্নাথের রথের সামনে এক বিরল দৃশ্য দেখা গিয়েছিল — যুদ্ধরত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আসা ভক্তরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেচেছিলেন। বিশ্বের অধিপতি জগন্নাথ, যিনি সব সীমার উর্দ্ধে, তাঁর সামনে আমরা সবাই এক — এই শিক্ষাই যেন বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি।
এই বছরের রথযাত্রায় যুক্ত হয়েছে আরও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। গত চার দশক ধরে জগন্নাথের রথ চলেছে বিখ্যাত Boeing 747 বিমান-এর চাকার ওপর। সেই চাকা ১৯৭৭ সাল থেকে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে ব্যবহৃত হওয়ার পর এবার বদলে ফেলা হয়েছে ভারতের সামরিক শক্তির গর্ব, সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান-এর নতুন চাকা দিয়ে।
যেসব চাকা আকাশে যুদ্ধের তীব্রতা সামলে নিতে পারে, সেগুলোই এবার কলকাতার বুকে জগন্নাথের রথ টেনে নিয়ে চলবে — যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে, পৃথিবী যতই যুদ্ধের জন্য প্রযুক্তি নিক, প্রকৃত শক্তি আসে ভগবানের প্রতি আত্মসমর্পণ ও শান্তির বাণী প্রচারের মাধ্যমেই। এক বিশ্ব-উৎসব, যার মূল কলকাতায়।
আজ বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশে, ৪,০০০-এর বেশি স্থানে রথযাত্রা পালিত হচ্ছে, যা সম্ভব হয়েছে ইসকন-এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। তাঁর শৈশবে কলকাতার বড়বাজারে রথযাত্রা দেখেই জন্ম নিয়েছিল এই বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন। ১৯৬৭ সালের ৯ই জুলাই আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোতে প্রথম আন্তর্জাতিক রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বিশ্বের প্রতিটি শহরে জগন্নাথের রথ পরিভ্রমণ করুক, আর মানুষ একত্রিত হোক ভক্তি ও শান্তির বন্ধনে।
কলকাতার রথযাত্রা, যা পুরীর পরেই সবচেয়ে বড়, প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মানুষকে আকৃষ্ট করে, এবং গোটা শহর রঙ্গীন হয়ে ওঠে ভক্তি, আনন্দ আর উৎসবের রঙে।
রথযাত্রা ২০২৫-এর বিস্তারিত তথ্য :
রথযাত্রা: শুক্রবার, ২৭শে জুন, ২০২৫ | দুপুর ১টা থেকে শুরু। শুরু: ইসকন মন্দির, ৩সি, আলবার্ট রোড- রুট: হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট → এ.জে.সি. বোস রোড → শরৎ বোস রোড → হাজরা রোড → এস.পি.এম. রোড → এ.টি.এম. রোড → চৌরঙ্গী রোড → এক্সাইড ক্রসিং → জে.এল. নেহরু রোড → আউটরাম রোড → ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড
উল্টোরথ: শনিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৫ | দুপুর ১২টা থেকে শুরু। শুরু: আউটরাম রোড (পার্ক স্ট্রিট মেট্রোর কাছে) রুট: ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড → আউটরাম রোড → জে.এল. নেহরু রোড → ডোরিনা ক্রসিং → এস.এন. ব্যানার্জি রোড → মৌলালী ক্রসিং → সি.আই.টি. রোড → সুহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ → পার্ক সার্কাস ৭ পয়েন্ট ক্রসিং → শেক্সপিয়র সরণি → হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট → ইসকন মন্দির।
রথের সামনে দক্ষ দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পীরা তৈরি করবেন মনোমুগ্ধকর রঙ্গোলী বা রাস্তার আলপনা, প্রাকৃতিক রঙের আবীর ব্যবহার করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংকীর্তন শিল্পীরা, ডজন খানেক মৃদঙ্গ ও করতালের সঙ্গে, গর্জন তুলবেন কীর্তনের। শিশুদের ঝাঁকি, প্রসাদ বিতরণ বাস, আর লক্ষ লক্ষ ভক্তের আনন্দঘন উপস্থিতিতে কলকাতা রূপ নেবে এক বিশাল আধ্যাত্মিক মেলার।
ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহামেলা: ২৮শে জুন – ৪ঠা জুলাই, ২০২৫ । ২৮শে জুন থেকে ৪ঠা জুলাই পর্যন্ত পার্ক স্ট্রিট মেট্রোর বিপরীতে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অবস্থান করবেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। চলবে বর্ণময় মেলা। প্রতিদিন বিকেল ৩:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত পরিবেশন করা হবে খিচুড়ি প্রসাদ। সন্ধ্যায় হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান — ডোনা গাঙ্গুলীর নৃত্যদল ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের বিভিন্ন পরিবেশনা। থাকছে নাটক, কীর্তন ও আধ্যাত্মিক আলোচনা।
মুখ্যমন্ত্রীর আগমন
উৎসবে যোগ দেবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩রা জুলাই, ২০২৫, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে জগন্নাথদেবের দর্শন করবেন ও আরতি করবেন। তাঁর সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রার্থনা করবেন বাংলার, ভারতের ও সমগ্র বিশ্বের শান্তি ও কল্যাণের জন্য। উৎসব, প্রার্থনা — শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, বিশ্ব যখন উত্তপ্ত, ইসকন কলকাতা সবার প্রতি আহ্বান জানায় — জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আসুন, আমরা সকলে মিলে ভগবানের রথ টানি, আনন্দ উপভোগ করি, আর একসঙ্গে বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনা করি।
“যিনি রথে আরূঢ় ভগবানকে দর্শন করেন, তিনি মুক্তির পথে অগ্রসর হন।” এই অস্থির সময়ে, ভগবান জগন্নাথের রথ চলুক সামনের দিকে — যুদ্ধবিমান-চালিত চাকার শক্তিতে, বিশ্বাসের শক্তিতে, আর মানবতার গভীরতম আকাঙ্ক্ষায় — শান্তি প্রতিষ্ঠার আশায়।

৫৪তম কলকাতা রথযাত্রা : বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনায় মগ্ন হবে কলকাতা

স্মৃতি বিশ্বাস যুদ্ধবিমান সুখোই-৩০-এর চাকা নিয়ে এগিয়ে চলবে জগন্নাথের রথ, দেওয়া হবে শান্তির বার্তা।বিশ্ব আজ উত্তেজনায় ভরা, তৃতীয়  বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা যেন মাথার ওপর ভাসছে। এমন সময়ে কলকাতা এক অনন্য বার্তা নিয়ে প্রস্তুত — ‘শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক’। ইসকন কলকাতা-র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহাসিক ৫৪তম বার্ষিক রথযাত্রা, যা শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ঐক্যের এক ঐকান্তিক আবাহন।
গত বছরই কলকাতার রাস্তায় জগন্নাথের রথের সামনে এক বিরল দৃশ্য দেখা গিয়েছিল — যুদ্ধরত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আসা ভক্তরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেচেছিলেন। বিশ্বের অধিপতি জগন্নাথ, যিনি সব সীমার উর্দ্ধে, তাঁর সামনে আমরা সবাই এক — এই শিক্ষাই যেন বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি।
এই বছরের রথযাত্রায় যুক্ত হয়েছে আরও এক অনন্য দৃষ্টান্ত। গত চার দশক ধরে জগন্নাথের রথ চলেছে বিখ্যাত Boeing 747 বিমান-এর চাকার ওপর। সেই চাকা ১৯৭৭ সাল থেকে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে ব্যবহৃত হওয়ার পর এবার বদলে ফেলা হয়েছে ভারতের সামরিক শক্তির গর্ব, সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান-এর নতুন চাকা দিয়ে।
যেসব চাকা আকাশে যুদ্ধের তীব্রতা সামলে নিতে পারে, সেগুলোই এবার কলকাতার বুকে জগন্নাথের রথ টেনে নিয়ে চলবে — যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে, পৃথিবী যতই যুদ্ধের জন্য প্রযুক্তি নিক, প্রকৃত শক্তি আসে ভগবানের প্রতি আত্মসমর্পণ ও শান্তির বাণী প্রচারের মাধ্যমেই। এক বিশ্ব-উৎসব, যার মূল কলকাতায়।
আজ বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশে, ৪,০০০-এর বেশি স্থানে রথযাত্রা পালিত হচ্ছে, যা সম্ভব হয়েছে ইসকন-এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য, কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। তাঁর শৈশবে কলকাতার বড়বাজারে রথযাত্রা দেখেই জন্ম নিয়েছিল এই বিশ্বভ্রমণের স্বপ্ন। ১৯৬৭ সালের ৯ই জুলাই আমেরিকার সানফ্রান্সিসকোতে প্রথম আন্তর্জাতিক রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বিশ্বের প্রতিটি শহরে জগন্নাথের রথ পরিভ্রমণ করুক, আর মানুষ একত্রিত হোক ভক্তি ও শান্তির বন্ধনে।
কলকাতার রথযাত্রা, যা পুরীর পরেই সবচেয়ে বড়, প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মানুষকে আকৃষ্ট করে, এবং গোটা শহর রঙ্গীন হয়ে ওঠে ভক্তি, আনন্দ আর উৎসবের রঙে।
রথযাত্রা ২০২৫-এর বিস্তারিত তথ্য :
রথযাত্রা: শুক্রবার, ২৭শে জুন, ২০২৫ | দুপুর ১টা থেকে শুরু। শুরু: ইসকন মন্দির, ৩সি, আলবার্ট রোড- রুট: হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট → এ.জে.সি. বোস রোড → শরৎ বোস রোড → হাজরা রোড → এস.পি.এম. রোড → এ.টি.এম. রোড → চৌরঙ্গী রোড → এক্সাইড ক্রসিং → জে.এল. নেহরু রোড → আউটরাম রোড → ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড
উল্টোরথ: শনিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৫ | দুপুর ১২টা থেকে শুরু। শুরু: আউটরাম রোড (পার্ক স্ট্রিট মেট্রোর কাছে) রুট: ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড → আউটরাম রোড → জে.এল. নেহরু রোড → ডোরিনা ক্রসিং → এস.এন. ব্যানার্জি রোড → মৌলালী ক্রসিং → সি.আই.টি. রোড → সুহরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউ → পার্ক সার্কাস ৭ পয়েন্ট ক্রসিং → শেক্সপিয়র সরণি → হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট → ইসকন মন্দির।
রথের সামনে দক্ষ দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পীরা তৈরি করবেন মনোমুগ্ধকর রঙ্গোলী বা রাস্তার আলপনা, প্রাকৃতিক রঙের আবীর ব্যবহার করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংকীর্তন শিল্পীরা, ডজন খানেক মৃদঙ্গ ও করতালের সঙ্গে, গর্জন তুলবেন কীর্তনের। শিশুদের ঝাঁকি, প্রসাদ বিতরণ বাস, আর লক্ষ লক্ষ ভক্তের আনন্দঘন উপস্থিতিতে কলকাতা রূপ নেবে এক বিশাল আধ্যাত্মিক মেলার।
ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহামেলা: ২৮শে জুন – ৪ঠা জুলাই, ২০২৫ । ২৮শে জুন থেকে ৪ঠা জুলাই পর্যন্ত পার্ক স্ট্রিট মেট্রোর বিপরীতে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অবস্থান করবেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। চলবে বর্ণময় মেলা। প্রতিদিন বিকেল ৩:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত পরিবেশন করা হবে খিচুড়ি প্রসাদ। সন্ধ্যায় হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান — ডোনা গাঙ্গুলীর নৃত্যদল ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের বিভিন্ন পরিবেশনা। থাকছে নাটক, কীর্তন ও আধ্যাত্মিক আলোচনা।
মুখ্যমন্ত্রীর আগমন
উৎসবে যোগ দেবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩রা জুলাই, ২০২৫, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে জগন্নাথদেবের দর্শন করবেন ও আরতি করবেন। তাঁর সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রার্থনা করবেন বাংলার, ভারতের ও সমগ্র বিশ্বের শান্তি ও কল্যাণের জন্য। উৎসব, প্রার্থনা — শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক, বিশ্ব যখন উত্তপ্ত, ইসকন কলকাতা সবার প্রতি আহ্বান জানায় — জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আসুন, আমরা সকলে মিলে ভগবানের রথ টানি, আনন্দ উপভোগ করি, আর একসঙ্গে বিশ্বশান্তির জন্য প্রার্থনা করি।
“যিনি রথে আরূঢ় ভগবানকে দর্শন করেন, তিনি মুক্তির পথে অগ্রসর হন।” এই অস্থির সময়ে, ভগবান জগন্নাথের রথ চলুক সামনের দিকে — যুদ্ধবিমান-চালিত চাকার শক্তিতে, বিশ্বাসের শক্তিতে, আর মানবতার গভীরতম আকাঙ্ক্ষায় — শান্তি প্রতিষ্ঠার আশায়।
Read More »